দেহে নোঙর ফেলা (Sati সতি/স্মৃতি)
কায়গতাসতি (Kāyagatāsati) ও হেভেনিং স্পর্শ
১. স্বাগতম ও নির্দেশনা
তৃতীয় দিনে স্বাগতম। আপনার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা স্পষ্ট হচ্ছে। আজ আমরা উদ্বেগের সেরা প্রতিষেধকটি অনুশীলন করব: কায়গতাসতি বা দেহের সচেতনতা। চাপ ভবিষ্যতের কাল্পনিক চিন্তায় বাঁচে, অথচ শরীর কেবল বর্তমানেই থাকতে পারে।
২. বৌদ্ধ প্রজ্ঞা ও বোধ
ক্যানন উৎস শিক্ষা: মহাসতিপট্ঠান সুত্ত (দীর্ঘ নিকায় ২২)
মহাসতিপট্ঠান সুত্তে বুদ্ধ শিখিয়েছেন যে দেহের ওপর প্রতিষ্ঠিত সচেতনতাই সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়: «যেমন শক্ত কাঠের বাক্সে সহজে তীর ঢোকে না, তেমনি দেহে প্রোথিত মন প্রতিকূল বাতাসে টলে না।»
« যিনি শরীরকে অন্তরঙ্গ বন্ধু করেন, তিনি চিন্তার ঝড়কে ভয় পান না। »
— মহাসতিপট্ঠান সুত্ত (দীর্ঘ নিকায় ২২)
মস্তিষ্ক কাল্পনিক ভয় ও বাস্তব বিপদের মধ্যে পার্থক্য করতে পারে না। মনোযোগ শরীরের বাস্তব স্পর্শে নিয়ে এলে স্নায়ুতন্ত্র নিশ্চিত হয় যে এই মুহূর্তে কোনো প্রাণঘাতী বিপদ নেই।